• ঢাকা
  • বুধবার, ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২রা ডিসেম্বর, ২০২০ ইং
গল্পঃ ব্লাক-ক্যাফেটেরিয়া পর্ব -১

-কি বলিস! আমাদের দলের আট জন ছেলে-ই প্রেগন্যান্ট! মেয়ে হলেও মানা যেত। ছেলেরা কিভাবে প্রেগন্যান্ট হয়! তাও আবার একই সময়ে!

– ডাক্তারি রিপোর্ট এ তো এটাই আসলো। তাছাড়া আমার পরিচিত এক স্থানীয় বন্ধুকে ব্যপারটা জানানোর পরে সে বললো! “দ্য কার্স অফ দ্য গ্রীন ফিনিক্স” এর কারণে এটা হতেও পারে।
– গ্রীন ফিনিক্স!! সেটা আবার কি!
উত্তর শোনার আগেই হেলেন এর গোপন আস্তানার দরজায় টোকা পরে।
ঠক… ঠক…. ঠক…..
মাত্র তিনজন ছাড়া এ আস্তানার খবর জানে না কেউই।
হেলেন বুঝতে পারে বয়স্ক সিস্টার-মেরী চলে এসেছে। সিস্টার মেরীই একমাত্র ব্যক্তি যে শুধুমাত্র হেলেন এর চেহারার দর্শন পায়। অবশ্য এটার একটা কারণও আছে। হেলেনের চেহারা আবৃত করার জন্য সুন্দর সুন্দর মুখোশের নকশাগুলো সিস্টার মেরীর হাতেই তৈরি হয়। মেরী প্রবেশ করা মাত্রই হেলেনের বিশ্বস্ত
গুপ্তচর বিলওয়াল প্রস্থান করে। ছেলেটা মুসলিম। বয়স ত্রিশের কোটায়। সে এমন একজন লোক, যাকে চোখ বুজে বিশ্বাস করতে পারে হেলেন।

বুঝতে শেখার পর থেকেই নিজের বাবার গুপ্তচর হিসেবে বিলওয়াল কে কাজ করতে দেখেছে সে। কখনো কোন প্রকারের খুঁত পাওয়া যায়নি বিলওয়ালের ভিতরে। এজন্যই হয়ত মুসলিমদের প্রতি তার অন্যরকম একটা আশ্বস্ততা সৃষ্টি হয়েছে।
মাত্র আঠেরো বছর বয়সেই খুব বড় একটা দায়িত্ব এসে পরেছে হেলেনের কাঁধে। ছোট বেলা থেকেই বাবার সহচার্যে বড় হওয়া হেলেন অত্যন্ত চৌকস বুদ্ধিমতী এবং সেই সাথে একজন ভালো যোদ্ধাও হয়ে উঠেছিলো। হেলেনকে তার বাবা এতটাই গোপন করে রাখতেন যে, সিস্টার মেরী, তিনি এবং তার স্ত্রী ছাড়া কেউ ই তার কন্যার দর্শন পায়নি।
হেলেনের বাবার নাম ছিলো এরিক।
এই একটা মাত্র নামই পুরো ‘কাযারিয়ান’ শহরটাকে ভয়ে কাঁপন ধরিয়ে দেয়ার জন্য যথেষ্ট ছিলো।
পয়তাল্লিশ বছর বয়সী এরিককে নিয়ে কথা বলতে ভয় পেত সে দেশের সরকারও। এমনকি এরিকের ইচ্ছা অনিচ্ছার উপরই দেশটির সরকার পরিবর্তন হতো। এরিকের এতো ক্ষমতাশালী হয়ে ওঠার পেছনে অন্য একজন মানুষের অবদান খুব বেশি ছিলো, “আব্দুল্লাহ তালহা”।

বিলওয়াল মূলত আব্দুল্লাহ তালহারই লোক ছিলো প্রথমদিকে। ধনাঢ্য ব্যবসায়ীক পরিবারের একজন সৎ লোক ছিলেন আব্দুল্লাহ তালহা। এরিক, তালহার একটা কাপড়ের দোকানে তার দলবল নিয়ে ডাকাতি করতে যায়। কিন্তু তালহার রক্ষী বাহিনীর হাতে ধরা পরে যায় দলের সবাই।
এরিকের বয়স তখন খুব কম ছিলো। মাত্র ২১ কি ২২, তার কাজ ছিলো ছোটখাট ব্যাবসায়ীক দোকানে লোকজন নিয়ে হামলা করে টাকাপয়সা ছিনিয়ে আনা। আব্দুল্লাহ তালহার দোকান জানলে এরিক ভুলেও এই কাপড়ের দোকানটার দিকে হাত বাড়াতো না। কিন্তু সে ভুল করে ফেলেছে এবং সেটার খেসারত তাকে দিতে হচ্ছে। তালহার রক্ষী বাহিনীর সবাইকে ফাঁকি দিয়ে এরিক চাইলেই পালিয়ে যেতে পারে। সে ক্ষমতা তার রয়েছে। কিন্তু দলের বাকি সবাইকে ফেলে পালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছেটা তার নেই।

মনে মনে ভাগ্যে কারাদন্ড বরণ করতে হবে ভেবেই সে উপস্থিত হয় আব্দুল্লাহ তালহার সামনে। এরিক এটাও ভেবেছিলো হয়তো খুব বাজে কিছু হতে যাচ্ছে তাদের সাথে। কিন্তু না, আব্দুল্লাহ তালহা বরং এরিক ও তার দলবলদের নিয়ে সেদিন দুপুরে একসাথে খাবার গ্রহণ করেন। অমায়িক একজন লোক ছিলেন তালহা। খাওয়াদাওয়ার পর্ব শেষে এরিকদের নিয়ে সে একটি বৈঠকে বসেন। জানতে চান, কার কি অভাব আছে, যে অভাব পূরণের জন্য দলবল নিয়ে মানুষের দোকানপাট, জান-মালের উপর হামলা করতে হচ্ছে?
সবাই সবার চাওয়া পাওয়ার কথা তালহাকে জানায়। বাকি সবার চাহিদা টাকা পয়সার দিকে হলেও এরিক জানায় ভিন্ন কথা। তার মারামারি করতে ভালো লাগে এবং সে খুব সুন্দর একটা মেয়েকে বিয়ে করতে চায়। এরিক ছিল রাস্তার ছেলে। তার কাছে মেয়ে দেয়ার মত বোকামি কোন বাবা মা-ই করতো না।
তালহা নিজে এরিককে একটা চাকরীর ব্যবস্থা করে দেন। শুধু এরিককে না। ওদের দলের সবাইকে তালহার ছোটখাট একটা মার্কেট দেখাশোনা করার দায়িত্ব দেন। এরিকও খুশি মনে সে দায়িত্ব পালন করে। এরিক খুব বুদ্ধিমান হওয়ায় সেই মার্কেটের ব্যবসায়ীদের ভিতর কোন ঝামেলা বাঁধলে তা নিজ সমাধান করে দিত খুব সহজেই।

আস্তে আস্তে এরিকের প্রতি সবাই আনুগত্য স্বীকার করতে শুরু করে এবং কোন ঝামেলা হলেই এরিকের কাছে ছুটে আসে। তালহা ও এরিকের কাজ নিয়ে সন্তুষ্ট ছিল। বেতন ভালো থাকায় আস্তে আস্তে অন্যান্য ডাকাত দলের সর্দাররাও এরিকের সাথে এসে জয়েন করে এবং অনেক বড় একটা দল তৈরি হয়ে যায় তালহার।
তালহা ছিলো অনেক সৎ একজন মানুষ এবং অন্যায়ের প্রতিবাদী। সে তার এই বিশাল দলবল নিয়ে আশেপাশে হওয়া ছোটখাটো অন্যায় গুলো শক্ত ভাবে দমন করতে শুরু করে। এরিক ও ব্যাপারটায় অনেক মজা পায়। কোথাও কোন অনৈতিক কাজ হলেই সবার আগে ছুটে গিয়ে তা দমন করে আসে। তালহা কাজ ভাগ করে এরিকের সাথে। এরিক আশেপাশের হওয়া ছোট খাট অপরাধ গুলোকে নিজ দায়িত্বে শক্ত হাতে দমন করবে এবং তালহা গরিবদের সাহায্য সহযোগিতা করবে কাপড়,টাকা ও শুকনা খাবার দিয়ে। এভাবে খুব ছোট একটা পরিসর থেকে আস্তে আস্তে জনপ্রিয়তা লাভ করতে থাকে দুজনেই। এরিকের দলে এসে সব খারাপ খারাপ লোকরা জয়েন করে কাজ করতে থাকে। এরিক অর্থের অভাবে অপরাধপ্রবণ হয়ে উঠলেও চরিত্রের দিক থেকে ছিলো অনন্য। কখনো কাউকে মিথ্যা বলে ঠকায় না সে। দরকার হলে ছিনিয়ে নেয়। তবে তালহার সাথে কাজ করার পরে কারো কাছ থেকে কোন কিছু ছিনিয়ে নেয়ার প্রয়োজনীয়তা বোধ করে নি এরিক। এরিক ও তালহার যৌথ এবং সৎ চেষ্টায় খুব দ্রুত তারা মানুষের মুখে মুখে প্রশংসিত হয়ে উঠে। মাত্র চব্বিশ বছর বয়সেই এরিক তার আন্ডারে অনেক বড় একটা দল গঠন করে ফেলে। দল খুব দ্রুত ভারী হওয়ার পেছনে অবশ্য আরো একটা কারণ রয়েছে তা হলো গোপনীয়তা। এরিকের দলে যারা কাজ করতো তাদের আলাদা ভাবে চিহ্নিত করা যেত না। সাধারণ মানুষের মাঝে স্বাভাবিক ভাবেই মিশে থাকতো তারা। এজন্য সব জায়গার গোপন খবর এরিকের কানে পৌঁছাত। দেখা যেতো এক লোক দশ জন মানুষ নিয়ে কোন একটা গোপনীয় প্লান করছে সেখানে এরিকের দুজন লোক আছে। কিন্তু কেউ জানে না। এমনকি ঐ লোকদুটোও পরস্পরকে চিনে না। জানেও না তারা দুজন একই দলের লোক। এই সিস্টেমটার জন্যই এরিক অনেক সহজে দেশের অনেক বড় বড় কাজে নিজের হস্তক্ষেপ করতে পারত। যখন তরতর করে এরিকের পরিচিতি ও ক্ষমতা বাড়ছিলো,তখন সে হুট করেই বিয়ের পিঁড়িতে বসে। ততদিনে তার টাকা পয়সার অভাব ছিল না। কোন এক অতি সুন্দরী যুবতীকে দেখে এরিকের হুট করেই ভালো লেগে যায়। একপ্রকার জোর করে তুলে এনেই সে বিয়ে করে নেয় মেয়েটিকে।
তালহা তখন তিন বছরের এক সন্তানের জনক।
এরিক বিয়ে করার কিছুদিন পরেই হুট করে তালহা ও তার ছেলে উধাও হয়ে যায়। কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় না তাদের। শোকে তালহার স্ত্রী প্রায় পাগল হয়ে পরে। তালহা ও তার সন্তানের হঠাৎ গায়েব হওয়ার বাজে প্রভাবটা এসে জোড়ালো আঘাত হানে এরিকের উপর। সবাই বলাবলি শুরু করে তালহাকে এরিকই গায়েব করে দিয়েছে। কারণ তালহার মার্কেটগুলো থেকে ভাড়া তুলে এরিককে আর কাউকে দিতে হবে না এখন। নিজের পকেটেই রাখতে পারবে। এতদিন এরিক ভাল থাকলেও আস্তে আস্তে সে অত্যাচারী হয়ে ওঠে। সাধারণ মানুষের উপর নিজের কর্তৃত্ব খাটাতে শুরু করে।
রাজনৈতিক ব্যক্তিদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে একচেটিয়া প্রচার প্রসারণ করা শুরু করে। এতে কেন যেন এরিকের ক্ষমতা আরো বহুগুনে বেড়ে যায়। তার যোগাযোগ তৈরি হয় সরাসরি সরকার প্রধানের সাথে। এরিকের সব লোকদের হাতে আস্তে আস্তে আগ্নেয়াস্ত্র সাপ্লাই হতে শুরু হয়। সকাল হলেই রাস্তার ডাস্টবিনে, গলির আনাচে কানাচে পরে থাকতে দেখা যেত তরতাজা লাশ। প্রচুর মানুষের বুকের রক্তের উপরে পা দিয়ে একসময় এরিক নিজেই খুব শক্তপোক্ত ভাবে দেশের অতি ক্ষমতাবান মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে তুলে।

ফুটফুটে একটা কন্যা সন্তানের জনক হয় এরিক। নাম রাখে হেলেন। ছোটবেলা থেকেই এরিক যুদ্ধবিদ্যায় পারদর্শী করে তুলে হেলেনকে।
হেলেনের ব্যাপারে এরিক অতিমাত্রায় সচেতন ছিলো। নির্দিষ্ট একটা ঘরের বাইরে যাওয়া হেলেনের জন্য ছিল একেবারেই পুরোপুরি নিষিদ্ধ । এভাবেই একাকী একটা মহলে আঁটকে থেকে কেটে যায় সতেরটি বছর। এরিক ততদিনে গড ফাদার হয়ে গেছে। দেশের সরকারও কিছু করতে হলে এরিকের কাছ থেকে হ্যাঁ-না শুনে নেয়।
এরিকের বাসায় আছে পারসোনাল ডাক্তার। এমনকি পারসোনাল নাপিতও!
চুল দাঁড়ি কাটে।
এরিক সব সময়েই ক্লিন শেইভড থাকতে পছন্দ করতো,
হেলেনের আঠেরতম জন্মদিনের উদযাপন করার জন্য এরিক একদিন আগে তার খোঁচা খোঁচা দাড়িগুলো শেইভ করে নেয়ার কথা ভাবে।
সামুয়্যেল নামক ছেলেটা এরিকের চুল দাড়ি কাটে। চটপটে এবং প্রচুর কথা বলে কিন্তু কাজেও ভালো। চেয়ারে এরিককে বসিয়ে সে গল্প জুড়ে দেয়। কিন্তু হেলেনকে গল্পের মাঝে বার বার টেনে আনছিলো সে। এজন্য এরিক মনে মনে সামুয়্যেলকে সন্দেহ করতে থাকে একটু, কোনো ভাবে কি সে হেলেনকে পছন্দ করে!!
যদি এমন কিছু হয় তবে সামুয়েলের লাশ পড়বে আজ। মনে মনে ভীষণ রাগ করে এরিক।
রাগ করলে এরিকের ঘাড়ের দুপাশের শিরা ফুলে উঠে। গালের দাড়ি শেভ করার পর মাথা পিছনে হেলান দিয়ে থুতনী উঁচু করে যখন সামুয়্যেল গলার খোঁচা খোঁচা দাড়িগুলো শেভ করছিলো, এরিকের শিরা ফুলে ওঠার দৃশ্য তখন চোখে পরছিলো তার। সামুয়্যেল বুঝতে পারে এরিক কোনো একটা কারণে হয়তো রেগে আছে। কিন্তু এটা এমন একটা সময়, রাগ করলেও রাগ দেখানো যায় না। গলা টানটান করে দিয়ে সামুয়্যেলের সামনে চোখ বুজে আছে এরিক। খুড় দিয়ে দাঁড়ি গুলো ছেঁচে নিচ্ছে সামুয়্যেল। কিন্তু সামুয়্যেলের মনে হঠাৎ কি একটা চিন্তা যেন দোল খেয়ে যায়। ধারালো খুর দিয়ে উপরের দিকে থুতনী উঠিয়ে টানটান করে রাখা গলার চামড়ায় গভীর একটা পোঁচ বসিয়ে দেয় সে। কন্ঠনালী কেটে খুড়ের অগ্রভাগ গলার ভিতরে ঢুকে যায়। হা হয়ে থাকে গলার সামনের অংশ, ঘড়ঘড় শব্দ আর ফিনকি দিয়ে রক্ত বের হওয়া ছাড়া সব কিছুই খুব স্বাভাবিক থাকে।
সামুয়্যেল পালিয়ে যায়। খুঁজে পাওয়া যায় না এরিকের স্ত্রীকেও।
হেলেন এসে তার বাবার লাশ উদ্ধার করে। কিন্তু গলাকাটা লাশ দেখেই সে চেঁচামেচি শুরু করে দেয় না। প্রথমে ধীরে সুস্থে দরজা লাগায়। তারপর বাবার জন্য বুক ফাঁটিয়ে কান্না করে। হেলেনকে ছোটবেলা থেকে একটা কথা বার বারই বলতো এরিক, এরিক মারা গেলে যেন কাউকে না জানানো হয় হুট করে, তাহলেই সর্বনাশ নেমে আসবে চারদিক থেকে। এরিককে সবাই ভীষণ ভয় পেতো। এরিক জীবিত আছে এটা ভেবেই অনেকে অনেক হেয়ালিপনা থেকে বিরত থাকে।
নিজেকে সামলে নিয়ে বিলওয়ালকে খবর দেয় হেলেন। ওকে নিয়েই বাবার দেহের শেষ সৎকার করে। বাবার বিভৎস হা হয়ে থাকা গলাকাটা লাশের কথা মনে পড়লেই নিজের মায়ের উপর প্রতিশোধের আগুন জ্বলে উঠে হেলেনের। হেলেন জানতো তার মায়ের প্রাক্তন প্রেমিক ছিলো সামুয়্যেল। হয়তো ভালোবাসার মানুষকে এক নজর দেখার জন্যই এরিকের বাসায় নাপিত হয়ে ঢুকেছে সে।
কিন্তু ব্যপারটা এতদূর গড়াবে ভাবতেও পারেনি এরিক।
এরিকের আটজন বিশালদেহী শক্তিশালী পালোয়ান কে সামুয়্যেলের বাসায় পাঠানো হয় ওকে ধরে আনার জন্য। কিন্তু আটজনই ব্যর্থ হয়ে পেটে প্রচন্ড ব্যাথা নিয়ে ফিরে আসে।
পরে ডাক্তার তাদের চেক-আপ করে জানায় সব ছেলেগুলোই প্রেগন্যান্ট অবস্থায় রয়েছে।
রহস্যের তুমুল গন্ধ পায় হেলেন। নিজের গোপন আস্তানায় খবর দেয় সিস্টার মেরীকে। বানিয়ে নেয় নিজের জন্য সুদর্শন মুখোশ। সে নিজেই প্রথমবারের মতো বেড়িয়ে পরবে এই মহলের বাইরে। সামুয়্যেলের বাসার উদ্দেশ্যে।….
চলবে….
গল্পঃ ব্লাক-ক্যাফেটেরিয়া ☕
লেখকঃ হাসিবুল ইসলাম ফাহাদ

ফেসবুকে লাইক দিন

তারিখ অনুযায়ী খবর

ডিসেম্বর ২০২০
শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
« নভেম্বর  
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১ 
দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।