• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১লা ডিসেম্বর, ২০২২ ইং
Mujib Borsho
Mujib Borsho
ফরিদপুরে খাদ্য গুদামে সোয়া কোটি টাকার চাল আত্মসাতের অভিযোগ \ কর্মকর্তা বরখাস্ত

মোঃ রমজান আলী, স্টাফ রিপোর্টার-০৭/০২/২০২১

ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার খাদ্য গুদাম হতে ১৩৫ মেট্রিক টন চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। বিভাগীয় তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত প্রমানিত হওয়ায় খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

একই সাথে দু সাথে জড়িত অপর তিনজন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হারুনার রসিদ, এসি ফুড শেখ জিকরুল আলম ও নিরাপত্তা প্রহরী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি শাস্তির সুপারিশ করলেও অদৃশ্য হাতের ইশারায় তারা ধরা ছোয়ার বাইরে রইয়ে গেছে।

অভিযোগ উঠেছে আলফাডাঙ্গার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিনকে শাস্তি সরূপ সাময়িক বরখাস্ত দেখিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। একই সাথে চাল আত্মসাতের প্রধান কুশিলব উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হারুনার রসিদ নিজেকে বাচানোর জন্য কয়েকদিন আগে আলফাডাঙ্গা থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেছেন রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে। সাধারন ডায়েরীটিতে দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার জন্য অনুরোধ করা হয়।

জানা গেছে, আলফাডাঙ্গা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুহুম আমিন ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হারুনার রসিদ, এসি ফুড শেক জিকরুল আলম ও নিরাপত্তা প্রহরী নজরুল ইসলাম মিলে ২০১৭ সালে ভি ইনভয়েসের মাধ্যমে ১৩৫ মেট্রিক টন চাল আত্মসাৎ করে। বিষয়টি নিয়ে কর্মকর্তাদের ভেতরে বেশ কয়েকবার মীমাংসার দফারফা চলে। অবশেষে বিষয়টি অধিকতর তদন্তর জন্য অভিযোগ পড়ে বিভাগীয় ভাবে। ফরিদপুর জেলা ফুড কর্মকর্তা ও কুষ্টিয়া জেলা ফুড কর্মকর্তার সমন্বয়ে দুই সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত টিম গঠন করা হয়। তদন্ত শেষে অভিযোগটি প্রমানিত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ করে তদন্ত টিম। শাস্তিমুলক ব্যবস্থা একজনের প্রতি নেওয়া হলেও বাকি তিনজন রয়ে গেছে ধরা ছোয়ার বাইরে।

বিষয়টি নিয়ে সাময়িক বরখাস্ত উপজেলা খাদ্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিন জানায়, আমি খাদ্য বিভাগে দারোয়ান পদে যোগদান করি। ২০১৫ সালে আমি আলফাডাঙ্গায় কাজ করতে করতে আমি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পর্যন্ত দায়িত্ব পাই। দায়িত্ব পাওয়ার পর আলফাডাঙ্গা উপজেলার খাদ্য গুদামে ১৩৫ মেট্রিক টন চাল আমার উদ্ধর্তন কর্মকর্তা ও খাদ্য গুদামের অন্য দুই কর্মকর্তার যোগ সাজসে চালগুলো এলোমেলো হয়ে যায়। পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে কুষ্টিয়া জেলা ফুড কর্মকর্তা ও ফরিদপুর জেলা ফুড কর্মকর্তার সম্বনয়ে তদন্ত টিম গঠন হয়। তদন্ত টিম আমাদের ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত হলে শুধুমাত্র আমাকে সাময়িক বরখাস্ত করে। এবং একই সাথে চালের বর্তমান মুল্য ১ কোটি ২০ লাখ ৮৬ হাজার টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে বলে। আমি অতি সাধারন চাকুরি করে কিভাবে এত টাকা পরিশোধ করব। সমগ্র বিষয়টি আবারো তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দেওয়া হউক।

১৩৫ মেট্রিক টন চাল আত্মসালের প্রধান কুশিলব উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হারুনার রসিদ বলেন, ঘটনাটি ঘটেছে সত্য। দীর্ঘদিন তদন্ত টিম অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দাখিল করেছে। আমি থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেছি। অপরাধ যেই করুক তার শাস্তি হবে। বিষয়টি এখন দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত করে দেখবে। যদি সেখানে আমি দোষী হই তখন ব্যবস্থা গ্রহন করবে যথাযথ কর্তৃপক্ষ

ফেসবুকে লাইক দিন

তারিখ অনুযায়ী খবর

ডিসেম্বর ২০২২
শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
« নভেম্বর  
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১ 
দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।