• ঢাকা
  • শনিবার, ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৬শে নভেম্বর, ২০২২ ইং
Mujib Borsho
Mujib Borsho
বুকজ্বালা কমবে যেসব খাবারে

ছবি প্রতিকী

হার্টবার্ন বা বুকজ্বালা এমন এক অবস্থা, যা গ্যাস্ট্রিকের কারণে সৃষ্ট। এ অবস্থা শুধু গর্ভবতী নারীর ক্ষেত্রে সচরাচর হয় না, লাখো মানুষ এ সমস্যায় ভুগছে। গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড আমাদের খাদ্যনালিতে প্রবেশ করে বুকজ্বালা সৃষ্টি করে। এর ফলে বুক ও পাকস্থলিতে অস্বস্তিকর অবস্থা হয়। পেট ফুলে যায়, টক স্বাদ অনুভবসহ নানা সমস্যার উদ্রেক হয়।

ভারতের জীবনধারা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বুকজ্বালা সাধারণত কিছু খাবার ও কোমল পানীয়ের কারণে হতে পারে। যেমন বার্গার, মূলা ইত্যাদির কারণে বুকজ্বালা হয়। বুকজ্বালার কারণে গ্যাস্ট্রোফিজিয়েল রিফ্লাক্স ডিজিজ (জিইআরডি) হতে পারে, যা সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই বুকজ্বালা দীর্ঘদিন হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

তবে কিছু খাবার রয়েছে, যেগুলো বুকজ্বালা থেকে স্বস্তি দিতে পারে। অনেক খাবার রয়েছে, যেগুলো বুকজ্বালা, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমায় এবং হজমে সাহায্য করে। যেমন নারকেলের পানি স্বাস্থ্যকর পানীয়, যা বুকজ্বালা দূর করতে সহায়তা করে। আমরা এমন কিছু খাবারের কথা আলোচনা করব

দই

ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ দই বুকজ্বালা প্রশমণ করে। এটি হজমপ্রক্রিয়া উন্নত করে। দইয়ে চিনি মিশিয়ে অথবা লাচ্ছি বানিয়ে খেতে পারেন। দিন দুই-তিন গ্লাস এটি পান করতে পারেন।

পেঁপে

পেঁপেতে পেপেইন (একধরনের প্রোটোলিটিক এনজাইম) রয়েছে, যা হজমশক্তি বাড়ায়। তো খাবার হজমে আপনি দুপুরে খাওয়ার পর পেঁপে খেতে পারেন। তাজা পেঁপে বা পেঁপের জুস স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভালো।

কমলালেবু

লেবুবর্গীয় এই ফলের স্বাদ টক এবং বুকজ্বালার ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক প্রতিষেধক। কমলালেবুতে রয়েছে এসিটিক অ্যাসিড ও অ্যাসকরবিক অ্যাসিড, যা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করে।

অ্যালোভেরার জুস

বিজ্ঞানীদের অনেকে বলেন, অ্যালোভেরা হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরিকে মেরে ফেলে (গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড বাড়াতে সহায়ক ব্যাকটেরিয়া)। এ ছাড়া অ্যালোভেরা ভিটামিন এ, বি১, বি২, বি৩, সি ও ই সমৃদ্ধ; অ্যালোভেরায় রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য, যা বুকজ্বালা উপশমে সহায়তা করে।

কলা

কলা হলো প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড, যা বুকজ্বালা থেকে তাৎক্ষণিক মুক্তি দেয়। এটি হজমপ্রক্রিয়ায় সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দেয়।

আপেল

আপেলে রয়েছে ফেনোলিক ফাইটোকেমিক্যালস, যেমন প্রোকায়ানিন, কোরেসেটিন, এপিকেচিন ও কার্বোহাইড্রেট, যা বুকজ্বালা দূর করতে সহায়ক।

সামুদ্রিক খাবার

সামুদ্রিক খাবার, বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছে রয়েছে টাউরিন, যা গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিড কমাতে সাহায্য করে।

দুধ

যদি কাঁচা দুধ খেতে পারেন, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে বুকজ্বালা দূর হবে। আপনি এতে এক চামচ মধু যুক্ত করতে পারে। এটি স্বাস্থ্যকর পানীয় ও স্বাদে ভরা। বুকজ্বালা নিরাময়ে বহুকাল ধরে কাঁচা দুধের ব্যবহার হয়ে আসছে। এটি পাকস্থলির প্রদাহ কমাতেও সাহায্য করে।

লেবু

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ লেবুতে রয়েছে এসিটিক অ্যাসিড, যা বুকজ্বালা নিরাময় করে এবং হজমশক্তি বাড়ায়। এক গ্লাস লেবুর জুস গ্যাস ও পেট ফাঁপা থেকে আপনাকে মুক্তি দেবে।

ফেসবুকে লাইক দিন

তারিখ অনুযায়ী খবর

নভেম্বর ২০২২
শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
« অক্টোবর  
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০ 
দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।