• ঢাকা
  • বুধবার, ২রা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৬ই জুন, ২০২১ ইং
Mujib Borsho
Mujib Borsho
টিকার বিকল্প মাস্ক : এবিএম আব্দুল্লাহ

ছবি সংগৃহিত

দেশের চিকিৎসা সেবা ভালো মন্তব্য করে চিকিৎসক নেতারা বলেছেন, তবে ঘাটতি চিকিৎসা ব্যবস্থায়। এখানে প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রাপ্তি নেই। আমলাতান্ত্রিক ও প্রশাসনিক জটিলতায় চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতি হচ্ছে না।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর তোপখানা রোডে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সভায় তারা এ কথা বলেন।

করোনা প্রাদুর্ভাব মোকাবিলা ও রোগ নির্ণয়ে টেকনোলজিস্টদের প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক আলোচনার আয়োজন করে টেকনোলজিস্টদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. আশিকুর রহমান টেকনোলজিস্টদের ভূমিকা ও তাদের দাবিদাওয়া সম্বলিত একটি লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন। আলোচনায় অংশ নেন সিনিয়র চিকিৎসক ও চিকিৎসক নেতারা।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ বলেন, করোনা অনেক কিছু উন্মোচন করেছে। আসলে আমাদের চিকিৎসা সেবা ভালো, তবে ব্যবস্থাপনা ভালো না। আর চিকিৎসা ব্যবস্থাতে চিকিৎসকদের হাত নেই। এখানে প্রশাসন জড়িত। ইদানিং আবার বেড়ে গেছে। জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধির ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। গা ছাড়া একটা ভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

সামনে শীতে ফের করোনা সংক্রমণ বাড়ার শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, দেশে আইন শুধু কাগজে-কলেমে থাকলে চলবে না। মাস্ক পরতে জনগণকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি আইন মানতে বাধ্য করতে হবে। ৮০ শতাংশ মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে পারলে করোনার ২য় ঢেউ ঠেকানো যাবে। টিকার বিকল্প হতে পারে মাস্ক। কেননা করোনার টিকা কবে আসবে, তা নিশ্চিত না।

করোনায় মেডিকেল টেকনোলজিস্টের অবদানের কথা উল্লেখ করে অধ্যাপক এবিএম আব্দুল্লাহ বলেন, চিকিৎসকরা রোগী দেখা ছাড়া কিছু করতে পারে না। রোগ নির্ণয়, টেস্টসহ মূল কাজগুলো করেন টেকনোলজিস্টরা। করোনায় তাদের গুরুত্ব অনুধাবন করেছে জনগণ। তারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় পায়ে হেঁটে নমুনা সংগ্রহের কাজ করেছেন। দেশে এখন প্রয়োজনের তুলনায় টেকনোলজিস্ট খুবই অপ্রতুল। তাদের নিয়োগও বন্ধ আছে দীর্ঘদিন ধরে। বেতনাদিরও সমস্যা চলছে। এসব জটিলতা নিরসনে আশা করি প্রধানমন্ত্রী উদ্যোগী হবেন। ব্যক্তিগতভাবে আমি টেকনোলজিস্টদের দাবির বিষয়ে একমত। তাদেরও প্রণোদনা দরকার আছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন বলেন, করোনার ২য় ঢেউ জটিল আকার ধারণ করতে পারে। আমারা করোনা মোকাবিলায় অভীষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছতে পারিনি। সমন্বয়হীনতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় কারণে তা হয়ে ওঠেনি। করোনায় টেকনোলজিস্টরা ভুক্তভোগী মানুষের বাসায় বাসায় গিয়ে সেবা দিয়েছে। এতে বহুজন আক্রান্ত হয়েছেন। এ জন্য জনগণের কাছ থেকে তারা ভূয়সী প্রসংশা পেয়েছেন। এটা ধরে রাখতে হবে। সরকারের উচিত টেকনোলজিস্টদের সুযোগ সুবিধা আরও বৃদ্ধি করা। কেননা তাদের ছাড়া করোনা টেস্ট করা সম্ভব না। আর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বরাবরই টেস্টে বাড়ানোর উপর জোর দিচ্ছে।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) গোলাম সারোয়ারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সাধারণ সম্পাদক ডা. ইহতেশামুল হক, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. আবু ইউসুফ ফকির প্রমুখ। উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানটির মিডিয়া পার্টনার ছিল দৈনিক সময়ের আলো।

ফেসবুকে লাইক দিন

তারিখ অনুযায়ী খবর

জুন ২০২১
শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
« মে  
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০