• ঢাকা
  • রবিবার, ১২ই আষাঢ়, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৬শে জুন, ২০২২ ইং
Mujib Borsho
Mujib Borsho
ফরিদপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের শিশু পুত্রকে কুপিয়ে হত্যা, ঘাতকের আত্মহত্যা

স্ত্রীর অবস্থা আশংকাজনক

চেয়ারম্যান পুত্র নিহত রাফসান ও ইনসেটে হত্যাকারী এরশাদ মোল্লা

সদরপুর প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকও পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বয়াতির শিশু পুত্র রাফসান (১০) কে কুপিয়ে
হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় চেয়ারম্যানের স্ত্রী দিলজাহান রত্না (৩৫) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশংকাজনক বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন। এদিকে
ঘাতক এরশাদ মোল্যা সদরপুর উপজেলার আটরশি টিএন্ডটি টাওয়ার থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করে। এরশাদ মোল্লার ভাই ইমরানকে ভাংগা উপজেলার আব্দুল্লাবাদ বাজার
এলাকা থেকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। শালিস বৈঠকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।


স্থানীয় এলাকাবাসী ও সদরপুর থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন আগে ঢেউখালী ইউনিয়নের হরিনা গ্রামের এরশাদ মোল্লার স্ত্রীকে নিয়ে গ্রাম্য শালিস করে ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বয়াতি। সেই শালিস বৈঠকে এরশাদ
মোল্লার স্ত্রীকে জরিমানা করা হয়। একই সাথে এরশাদ মোল্লাকে ভৎসনা করেন ইউপি চেয়ারম্যান। এতে ক্ষিপ্ত হন এরশাদ মোল্লা। চেয়ারম্যানকে শায়েস্তা করতে সুযোগ খুজতে থাকে এরশাদ। চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বয়াতি ও তার পরিবার
সদরপুর সদরের পোষ্ট অফিসের পাশে শশুড় বাড়ীতে অবস্থান করছিলেন। বুধবার দুপুরে এরশাদ মোল্লা ধারালো অস্ত্র নিয়ে বাড়ীতে ঢুকে হামলা করে। এসময় চেয়ারম্যানের
স্ত্রী দিলজাহান রত্না ও শিশু পুত্র রাফসানকে কুপিয়ে মারাত্বক ভাবে আহত করে।
হামলার শিশু পুত্র রাফসান ঘটনাস্থলেই মারা যায়। মারাত্বক ভাবে আহত হন চেয়ারম্যানের স্ত্রী দিলজাহান রত্না। তাকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলার সময় চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বয়াতি
বাড়ীতে ছিলেন না। নিহতের খালা মুক্তা জানান, বেলা দুইটার দিকে দুপুরের খাবার খেয়ে সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। এসময় চিৎকার শুনে তিনি ঘরে ঢুকে দেখতে পান তার বোন ও ভাগ্নে খাটের নীচে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। এসময় তিনি চিৎকার
শুরু করলে ঘাতক বাড়ীর পাশে একটি মার্কেটে অবস্থান নেয়। কি কারণে তার বোন ও ভাগ্নেকে কুপিয়ে আহত ও হত্যা করা হয়েছে তা তিনি জানাতে পারেননি। এ বিষয়ে ঢেউখালী ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বয়াতি তাৎক্ষনিক ভাবে কোন
কথা বলতে রাজি হননি। চেয়ারম্যান পুত্রকে কুপিয়ে হত্যার পর ঢেউখালী ইউনিয়নের হরিনা গ্রামের বাসিন্দা এরশাদ মোল্লার বাড়ীতে স্থানীয় বিক্ষুব্দরা হামলা চালিয়ে বাড়ী ঘরে আগুন দেয় এবং বাড়ী ঘর ভাংচুর করে। পরে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস গিয়ে
আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। এ ঘটনার পর ঢেউখালী ইউনিয়নের হরিনা গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতার্ সুব্রত গোলদার
জানান।

ফেসবুকে লাইক দিন

তারিখ অনুযায়ী খবর

জুন ২০২২
শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
« মে  
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০ 
দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।