কোভিড-১৯ য়ের প্রভাবে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা সদরের ঐতিহ্যবাহী সরকাারি এম এন একাডেমীর শিক্ষাথীদের অভিভাবক গনই এখন শিক্ষকের ভুমিকায় অবতীর্ন হয়েছেন।
অভিভাবকদের তত্বাবধায়নে এম এন একাডেমীর শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাসার পড়ার টেবিলে পরীক্ষায় অংশগ্রহন করছে । গত ১৯ জুন শুক্রবার সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ১ম ধাপের পরীক্ষা এবং ১৯ জুলাই রবিবার দুপুর ২ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত ২য় ধাপের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলা, ইংরেজী, গনিত, বিজ্ঞান, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিগত ১৭ মার্চ থেকে করোনার কারনে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। শিক্ষার্থীদের ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেবার লক্ষে এম এন একাডেমীর বিকল্প পাঠদান ব্যবস্থায় পাঠ সংশ্লিষ্ট রাখার লক্ষে গুরুত্বপুর্ন কয়েকটি বিষয়ে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রনয়ন করে পরীক্ষার তারিখ সহ তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ,মেবাইল ফোন সহ বিভিন্ন গনযোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে শিক্ষাথীদের কাছে পৌছে দেয়া হয়। শিক্ষাথীরা সিলেবাস অনুযায়ী বিষয়গুলো অধ্যয়ন করে ১০০ নম্বরের সমন্বিত পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়। নিধার্রিত তারিখে অভিভাবকদের তত্বাবধায়নে নিজ বাড়ীতে পরীক্ষা দেয় ।
আজ ১৯ জুলাই ২য় ধাপের পরীক্ষায় ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেনী পর্যন্ত ১১১০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করেছে । এদেরকে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিনামুল্যে সিলেবাস এবং প্রশ্ন সরবরাহ করা হয়েছে। অভিভাবক গোলাম মোস্তফা বলেন, করোনার কারনে বিদ্যালয় বন্ধ থাকা কালীন সময়ে এম এন একাডেমীর পক্ষ থেকে সিলেবাস প্রনয়ন করে অভিভাবকদের তত্বাবধায়নে পরীক্ষা নেবার ফলে শিক্ষাথীরা আবার বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ের মত লেখাপড়া করছে। এই উদ্যোগ নেবার ফলে শিক্ষাথীরা উপকৃত হবে । এম এন একাডেমীর প্রধান শিক্ষক বেলায়েত হোসেন মিয়া বলেন, কোভিড-১৯ য়ের কারনে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিক্ষাথীদের যে ক্ষতি হচ্ছে সেই ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নেওয়ার লক্ষে এবং শিক্ষাথীরা যাতে নিয়মিত লেখাপড়া করে সেজন্য আমরা আমাদের স্কুলের শিক্ষাথীদের প্রতি মাসে অভিভাবকদের তত্বাবধাযনে নিধার্রিত সিলেবাসে পরীক্ষা গ্রহনের উদ্যোগ নিয়েছি।