• ঢাকা
  • বুধবার, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৫শে মে, ২০২২ ইং
Mujib Borsho
Mujib Borsho
আখেরি মোনাজাত দিয়ে শেষ হলো খাগড়াছড়ির তাবলিগ জামাত জেলা ইজতেমা

আরিফুল ইসলাম মহিন ,খাগড়াছড়ি :

খাগড়াছড়ির জিরো পয়েন্ট এলাকার তাবলিগ জামাতের মার্কাজ মসজিদ এলাকায় আত্মশুদ্ধি ও নিজ নিজ গুনাহ মাফের পাশাপাশি দুনিয়ার সব বালা-মুসিবত থেকে হেফাজত করার জন্য দুই হাত তুলে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে রহমত প্রার্থনা করে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো জেলা ইজতেমা।

১৮-২০ নভেম্বরের তিন দিনের আয়োজিত ইজতেমা প্রসাশনের নির্দেশনায় দু দিনেই সমাপ্ত হলো। ১৮ নভেম্বর দুপুর থেকে দিক নির্দেশনামূলক বয়ানের পর হাজরো মানুষের প্রতীক্ষার অবসান ঘটে ১৯ নভেম্ভর/২১ শুক্রবার বাদ জুমায়। যে যেখানে ছিলেন সেখানে দাঁড়িয়ে কিংবা বসে হাত তোলেন মহান আল্লাহর দরবারে। কান্নায় বুক ভাসান তারা। মোনাজাতে মাওলানা আনিসুর রহমান পবিত্র কোরআনে বর্ণিত দোয়ার আয়াত এবং বাংলা ভাষায় এ মোনাজাত পরিচালনা করেন। শেষ মোনাজাতে মাওলানা আনিসুর রহমান বলেন, হে আল্লাহ তুমি তো ক্ষমাশীল, তোমার কাছেই তো আমরা ক্ষমা চাইব। দ্বীনের ওপর আমাদের চলা সহজ করে দাও। হে আল্লাহ তুমি আমাদের ওপর সন্তুষ্ট হয়ে যাও। আমরা যেন তোমার সন্তুষ্টি মাফিক চলতে পারি সে তওফিক দাও। দুনিয়ার সব বালা-মুসিবত থেকে আমাদের হেফাজত কর। ইজতেমাকে কবুল ও মঞ্জুর কর। আমাদের ইমানকে মজবুত করে দাও। দ্বীনের পথে মেহনত করার তওফিক দান কর। বাংলাদেশকে সম্মৃদ্ধশালী রাস্ট্র হিসাবে বিশ্বের বুকে তৈরী করে দাও।
এছাড়াও শুরু থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল হতে আগত তাবলিগ জামাতের মুরুব্বীয়ান মাওলানা সাহাদাত হোসেন, মুফতি ওসামা,মাওলানা মোঃ আমিন, মাওলানা সামসুদ্দোহা, মাওলানা মনিরুজ্জামান মাসউদ প্রমুখ ইসলামের নির্দেশনা মূলক বয়ান করেন।

স্থানীয় ও পার্বত্য জেলার বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা ছাড়াও বিশ্ব ইজতেমায় অংশগ্রহণ করতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ছুটে এসেছিলেন। জেলা প্রসাশনের পক্ষ থেকে ছামিয়ানা টানানো নিষেধ থাকায় প্রতিটি এলাকার লোক নিজ নিজ দায়িত্বেই ত্রিপাল ও ছামিয়ানা টাঙ্গিয়ে বসে বসে ইসলামের নির্দেশনা মূলক বয়ান শুনেছেন।

ফেসবুকে লাইক দিন

তারিখ অনুযায়ী খবর

মে ২০২২
শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
« এপ্রিল  
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১