• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৫শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৯ই ডিসেম্বর, ২০২২ ইং
Mujib Borsho
Mujib Borsho
আসন্ন গট্টি ইউপি নির্বাচনে নৌকার মাঝি হতে চান খোরশেদ খাঁন

মনির মোল্যা, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের দাবীদার ফরিদপুরের সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি, আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান, আওয়ামী লীগের তৃণমুলের ত্যাগী কর্মী মোঃ খোরশেদ খান। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে গত দুই বছর ধরে গট্টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ভোটারদের কাছে দৌড়াচ্ছেন খোরশেদ খান। ইতিমধ্যে ভোটারদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।
জানা যায়, খোরশেদ খান ১৯৭৫ ইং সালে গট্টি ইউনিয়নের আগুলদিয়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আঃ ওসমান খান, মাতার নাম হবিরন নেছা। তার পিতা ছিলেন সাবেক গট্টি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ছিলেন। তার চাচা আঃ মান্নান খান একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক দুইবারের ইউপি সদস্য। আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে খোরশেদ খানের পিতা মরহুম আঃ ওসমান খান ও চাচা মান্নান খান ছিলেন ত্যাগী কর্মী। ইউনিয়ন জুড়ে তৎকালীন সময়ে ত্যাগী আওয়ামী লীগের পরিবারের মধ্যে খোরশেদ খানের পরিবারও একটি। জাতীয় পার্টি ও বিএনপির আমলে তার পরিবার একাধিকবার নির্যাতিত হয়ে জেল খেটেছেন।

১৯৮৬ ইং সালে খোরশেদ খান বাল্য জীবন থেকে নৌকার পক্ষে স্লোগান দিতেন। তৎকালীন সময় থেকে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত আছেন। যার শরীরে বইছে আওয়ামী লীগের রক্ত। আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে দলের জন্য খোরশেদ খানের পরিবারের অনেক অবদান রয়েছে। খোরশেদ খানকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেওয়ার দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী খোরশেদ খান এ প্রতিবেদককে বলেন, আমার পরিবার আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে জয়ঝাপ কেন্দ্রে নৌকার পক্ষে রাজনীতি শুরু করেন। তারপর ১৯৮৬ সালে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ও তার কনিষ্টপুত্র শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরীর হাতধরে আমার পরিবার রাজনীতি করে। সেই সময় আমিও মিছিল মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করি। মিনাজদ্দিন চেয়ারম্যান ছিলেন গট্টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বড় নেতা। তখনও আমার পরিবার তার সাথে ছিলেন। ১৯৯১ ইং সালে ইমামুল হোসেন তারা মিয়ার নির্দেশে আমি ১৬বছর বয়সে সক্রিয়ভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করি। তৎকালীন সময় গট্টি ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে ছিলাম। ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়ে ১৭টি মামলায় জেল-জুলুম খেটেছি। কখনও আওয়ামী লীগের বাইরে রাজনীতি করি নাই। হাইব্রিড আওয়ামী লীগের কারণে দলের পদ থেকে বঞ্চিত হয়েছি। এছাড়াও ইউনিয়নের প্রবীন ও ত্যাগী আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্যরাও দলের পদ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এমনকি ইমামুল হোসেন তারা মিয়ার পরিবারও দলের পদ থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। ২০১৭ ইং সালে সংসদ উপনেতাপুত্র শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরী পুণরায় রাজনীতিতে আসার পর আমি ও আমার পরিবারসহ অনেকেই মামলা-হামলা থেকে রেহাই পেয়েছি। আমি আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান ও আওয়ামী লীগের একজন নিবেদীত কর্মী হিসেবে দলের কাছে নৌকা প্রত্যাশা করছি। দল যদি আমাকে নৌকা প্রতীক দেন তাহলে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবো ইনশাল্লাহ।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের দাবীদার ফরিদপুরের সালথা উপজেলার গট্টি ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি, আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান, আওয়ামী লীগের তৃণমুলের ত্যাগী কর্মী মোঃ খোরশেদ খান। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে গত দুই বছর ধরে গট্টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ভোটারদের কাছে দৌড়াচ্ছেন খোরশেদ খান। ইতিমধ্যে ভোটারদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।
জানা যায়, খোরশেদ খান ১৯৭৫ ইং সালে গট্টি ইউনিয়নের আগুলদিয়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আঃ ওসমান খান, মাতার নাম হবিরন নেছা। তার পিতা ছিলেন সাবেক গট্টি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ছিলেন। তার চাচা আঃ মান্নান খান একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক দুইবারের ইউপি সদস্য। আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে খোরশেদ খানের পিতা মরহুম আঃ ওসমান খান ও চাচা মান্নান খান ছিলেন ত্যাগী কর্মী। ইউনিয়ন জুড়ে তৎকালীন সময়ে ত্যাগী আওয়ামী লীগের পরিবারের মধ্যে খোরশেদ খানের পরিবারও একটি। জাতীয় পার্টি ও বিএনপির আমলে তার পরিবার একাধিকবার নির্যাতিত হয়ে জেল খেটেছেন।

১৯৮৬ ইং সালে খোরশেদ খান বাল্য জীবন থেকে নৌকার পক্ষে স্লোগান দিতেন। তৎকালীন সময় থেকে তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত আছেন। যার শরীরে বইছে আওয়ামী লীগের রক্ত। আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে দলের জন্য খোরশেদ খানের পরিবারের অনেক অবদান রয়েছে। খোরশেদ খানকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেওয়ার দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী খোরশেদ খান এ প্রতিবেদককে বলেন, আমার পরিবার আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে জয়ঝাপ কেন্দ্রে নৌকার পক্ষে রাজনীতি শুরু করেন। তারপর ১৯৮৬ সালে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ও তার কনিষ্টপুত্র শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরীর হাতধরে আমার পরিবার রাজনীতি করে। সেই সময় আমিও মিছিল মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করি। মিনাজদ্দিন চেয়ারম্যান ছিলেন গট্টি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বড় নেতা। তখনও আমার পরিবার তার সাথে ছিলেন। ১৯৯১ ইং সালে ইমামুল হোসেন তারা মিয়ার নির্দেশে আমি ১৬বছর বয়সে সক্রিয়ভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করি। তৎকালীন সময় গট্টি ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে ছিলাম। ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়ে ১৭টি মামলায় জেল-জুলুম খেটেছি। কখনও আওয়ামী লীগের বাইরে রাজনীতি করি নাই। হাইব্রিড আওয়ামী লীগের কারণে দলের পদ থেকে বঞ্চিত হয়েছি। এছাড়াও ইউনিয়নের প্রবীন ও ত্যাগী আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্যরাও দলের পদ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এমনকি ইমামুল হোসেন তারা মিয়ার পরিবারও দলের পদ থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। ২০১৭ ইং সালে সংসদ উপনেতাপুত্র শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরী পুণরায় রাজনীতিতে আসার পর আমি ও আমার পরিবারসহ অনেকেই মামলা-হামলা থেকে রেহাই পেয়েছি। আমি আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান ও আওয়ামী লীগের একজন নিবেদীত কর্মী হিসেবে দলের কাছে নৌকা প্রত্যাশা করছি। দল যদি আমাকে নৌকা প্রতীক দেন তাহলে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবো ইনশাল্লাহ।

ফেসবুকে লাইক দিন

তারিখ অনুযায়ী খবর

ডিসেম্বর ২০২২
শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
« নভেম্বর  
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১ 
দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।