• ঢাকা
  • সোমবার, ২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১৬ই মে, ২০২২ ইং
Mujib Borsho
Mujib Borsho
ফরিদপুরে ঝিলটুলীর ঝিল পাড়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকাবস্থায় দোকানঘর নিমার্ণের চেষ্টা

ফরিদপুরের ঝিলটুলীর ভরাট হয়ে যাওয়া ঝিলপাড়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা অবস্থাতেই দোকান ঘর নিমার্ণের চেষ্টা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ এসব দোকানপাট নিমার্ণ কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
জানা গেছে, আজ বৃহস্পতিবার সকালে ঝিলটুলীর বাসিন্দা জনৈক এখতিয়ার রহমান ইক্তি চরকমলাপুর অনাথের মোড় সংলগ্ন ঝিল পাড়ে বাঁশ খুটি গেড়ে কয়েকটি দোকান ঘর নিমার্ণের কাজ শুরু করেন। তার দাবি, ফরিদপুর পৌরসভা হতে বন্দোবস্ত নিয়ে তিনি এসব দোকান নিমার্ণ করছেন।

একই এলাকার বাসিন্দা আশিকুল হক জানান, ঝিলপাড়ের ওই স্থানটি ফরিদপুর মৌজার এসএ ৯৪৯ নম্বর দাগের অন্তর্ভুক্ত। এই জমি নিয়ে ফরিদপুরের রাজেন্দ্র কলেজের সাথে তাদের মামলা চলমান রয়েছে। সম্প্রতি হাইকোর্ট ওই স্থানের ব্যাপারে একটি নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যেখানে বলা হয়েছে উভয় পক্ষকেই নিজ নিজ অবস্থানে স্থিতি থাকতে ও কোনপ্রকার কর্মকান্ডে না করতে আদেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, পৌরসভা রাস্তার ওপাড়ে এসএ ৯৪৯ নম্বর দাগের বাইরে পৌরসভার বর্তমানে কোন জমি নেই।

এদিকে ওই স্থানে আদালতের নিষেধাজ্ঞার নোটিশ টানানো থাকা অবস্থাতেই পৌরসভার লীজ দাবিদার এখতিয়ার রহমান ইক্তি সেখানে দোকানঘর নিমার্ণের চেস্টা চালান। এব্যাপারে এক্তিয়ার রহমান বলেন, সাত বছর আগে পৌরসভা হতে সেখানে তারা ৪০ ফুট লম্বা জমি বন্দোবস্ত নিয়েছেন। সেখানেই তিনি ঘর নিমার্ণ কাজ করতে যান।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে টিনের বেড়া দিয়ে ঘেরা রাস্তার পাশের ওই জমির সামনে রাস্তার পাশে ন্যুনতম তিন ফুট জমিও অবশিষ্ট নেই। সেখানে কোনভাবেই পৌরসভার জমিতে দোকান ঘর নিমার্ণ করা সম্ভব নয়। আর মালিকানাধীন জমির সামনে এসব দোকান নিমার্ণ হলে ওই জমিতে প্রবেশের রাস্তাই বন্ধ হয়ে যায়।
এব্যাপারে ফরিদপুর পৌরমেয়র শেখ মাহতাব আলী মেথুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সেখানে রাজেন্দ্র কলেজের হোস্টেল নিমার্ণ শুরুর আগে কয়েকজনকে পৌরসভা বন্দোবস্ত দিয়েছিল। বিষয়টি কাগজপত্র দেখে তিনি ভাল বলতে পারবেন।

ফেসবুকে লাইক দিন

তারিখ অনুযায়ী খবর

মে ২০২২
শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
« এপ্রিল  
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১