• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৮শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ১২ই আগস্ট, ২০২২ ইং
Mujib Borsho
Mujib Borsho
ফরিদপুরে শীতকালীন পিঁয়াজ জাতের উপযোগিতা পরীক্ষা ও উৎপাদন কার্যক্রমের উপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

নিরঞ্জন মিত্র (নিরু) ( ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) অধীনে ফরিদপুর সরেজমিন গবেষণা বিভাগ (বারি) এর বাস্তবায়নে ও

আয়োজনে গত ২৯ মার্চ সোমবার সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের ফুরসা গ্রামে বারি উদ্ভাবিত পিঁয়াজ জাতের উপযোগিতা পরীক্ষা ও উৎপাদন কার্যক্রমের উপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত
হয়েছে।

ফরিদপুর সরেজমিন গবেষণা বিভাগ (বারি) এর অঞ্চল প্রধান বৈজ্ঞানিক
কর্মকর্তা ড. সেলিম আহম্মেদের সভাপতিত্বে মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. হজরত আলী।

মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ১.৭৫ লক্ষ হেক্টর জমিতে পিঁয়াজ আবাদ হয়ে থাকে এবং গড় ফলন হেক্টর প্রতি প্রায় ১২ টন। বর্তমানে বাংলাদেশে মোট চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজের বেশ ঘাটতি রয়েছে। প্রতি বছর পেঁয়াজ আমদানি করে এ ঘাটতি পূরণ করা হয়। বারি উদ্ভাবিত উন্নত জাত ও উৎপাদন প্রযুক্তি ব্যবহার করে পেঁয়াজের ফলন বাড়ানো সম্ভব। বারি পিঁয়াজ-১ এর গবেষণা মাঠে ফলন হেক্টর প্রতি ১২-১৬ টন। ধূসর লালচে বর্ণের এবং ঝাঁঝযুক্ত পিঁয়াজ বারি পিঁয়াজ-৪ এর হেক্টর প্রতি ফলন গবেষণা মাঠে প্রায় ২০ টনের উপরে। তাই, এরই ধারাবাহিকতায় বারি’র সরেজমিন গবেষণা বিভাগ বারি উদ্ভাবিত বারি পিঁয়াজ-১ ও ৪ এর সাথে তাহেরপুরী ও লাল তীর কিং এর উপযোগিতা পরীক্ষা ও বারি পিঁয়াজ-৪ এর উৎপাদন কার্যক্রম সম্পন্ন করছে। এছাড়াও পিঁয়াজের চারা লাগানোর সময় ও সারের মাত্রা নিরুপনের উপরও গবেষণা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবুল বাশার মিয়া, বাংলাদেশ সিমিট হাব কো – অর্ডিনেটর কৃষিবিদ হিরা লাল নাথ।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সোসাইট ডেভেলাপমেন্ট কমিটির নির্বাহী পরিচালক কাজি আশরাফুল হাসান, সরেজমিন গবেষণা বিভাগ (বারি) এর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, এ.এফ.এম. রুহুল কুদ্দুস, মসলা গবেষণা উপকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. মুশফিকুর রহমান সহ সংশ্লিষ্ট বৈজ্ঞানিক সহকারী ও উপসহকারী
কৃষি কর্মকর্তা।

এসময় মাঠ দিবসে আগত অতিথিবৃন্দ ও কৃষক কিষাণী মাঠ পরিদর্শণ করেন এবং মাঠ থেকে উত্তোলিত পিঁয়াজের হেক্টর প্রতি ফলন যথাক্রমে বারি পিঁয়াজ-১: ১৪-১৫ টন, বারি পিঁয়াজ-৪: ২২-২৩ টন, লাল তীর কিং: ১৭-১৮ টন এবং তাহেরপুরী ১৪-১৫ টন দেখতে পান। তারা বারি পিঁয়াজ-৪ এর ফলন দেখে অভিভূত হন এবং আগামী বারি পিঁয়াজ দ্বারা কন্দ আবাদের আগ্রহ প্রকাশ করেন। এছাড়াও ২০ ডিসেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে চারা রোপন ও মাটি পরীক্ষা করে সার ব্যবহার করলে বারি পিঁয়াজ-৪ এর ফলন বৃদ্ধি পায়। উপস্থিত কৃষক কিষানী বারি পিঁয়াজ-৪ এর বীজ বিষয়ে সংশ্লিষ্টজনকে অনুরোধ করেন। প্রধান অতিথি আগত কৃষক ও কিষাণীকে বারি পিঁয়াজ-৪ দ্বারা চারা পিঁয়াজ আবাদ করার জন্য আহ্বান জানান যাতে করে পিঁয়াজ কন্দের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হয়। অনুষ্ঠানে মোট ৬০ জন কৃষক ও কিষাণী অংশগ্রহন করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সরেজমিন গবেষণা বিভাগ (বারি) এর বৈজ্ঞানিক সহকারী ফরিদ আহম্মেদ।

ফেসবুকে লাইক দিন

তারিখ অনুযায়ী খবর

আগষ্ট ২০২২
শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
« জুলাই  
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১ 
দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।