• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৭শে নভেম্বর, ২০২০ ইং
রাজশাহী মহানগরীতে রমজান মাসে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রতিশ্রুতি রাখতে পারলেন না নেসকো
নিজস্ব প্রতিবেদক রাজশাহী : রমজান মাসে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কিন্তু ১ম রমজান থেকেই বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটেছে মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায়।
লক ডাউন চলছে গোটা রাজশাহী জুড়ে। অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ, দোকান পাট সব কিছু বন্ধ থাকলেও বৃষ্টি  বা বাতাস, যেটাই হোক থাকছে না বিদ্যুৎ।
আবহাওয়া খারাপ হলে ট্যান্সফর্মারগুলোর ফিউজ কেটে যায়। ফলে থাকে না বিদ্যুৎ। এমনটি বলছে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো)। তারা বলছেন, বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের বাসা-বাড়িতে সমস্যা সমধানের লক্ষ্যে লাইন বন্ধ করে রাখতে হয়। এতে কিছুক্ষণ থাকে না বিদ্যুৎ এমনই দাবি নেসকোর।
যদিও নেসকোর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শিরিন ইয়াসমিন গণমাধ্যমকে  বলেছিলেন, ‘পুরো রমজান মাসে রাজশাহীতে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকবে।’ কিন্তু এমন কথা প্রথমদিন রাখতে পারেনি নেসকো।
রমজানের প্রথম দিনে ঠিকমতো ছিলো না বিদ্যুৎ। দ্বিতীয় দিনে রোববার (২৬ এপ্রিল) রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকায় ছিলো না বিদ্যুৎ। তৃতীয় দিন আজ এখন পর্যন্ত কোন এলাকায় বিদ্যুৎ যায়নি।
 উপশহর এলাকায় বিকেলে সাড়ে চারটা পর্যন্ত পাঁচ থেকে ছয় বার বিদ্যুৎ যাওয়া আসা করেছে। এছাড়া পুরো নগরীতে তিন থেকে চার বার বিদ্যুৎ যাওয়া আসা করেছে ১ম ও ২ য় রমজানে।
উপশহর এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে নেসকোর এক প্রকৌশলী বলেন, বাতাসের কারণে দুপুরে বিদ্যুৎ ছিলো না। এছাড়া তিনটার দিকে রাজশাহী পলিটেকনিক ইন্সিটিটিউটের সামনের একটি পোলের ট্যান্সফর্মারের ফিউজ নষ্ট হয়ে যায়। এতে কিছুক্ষণ ছিলোনা বিদ্যুৎ। এছাড়া বিকাল চারটার দিকে শালবাগান বটতলা এলাকায় একটি পোল আর্থ হয়েছিলো। এর ফলে ২০ মিনিটের মতো বিদ্যুৎ সরবরহ বন্ধ ছিলো পুরো এলাকায়।
নগরীর উপশহর এলাকার বাসিন্দা আবু বক্কর  বলেন, সকালের দিকে হালকা বজ্রপাতে বিদ্যুৎ চলে গেলো। বৃষ্টি হলেও থাকে না। আর ঝড় হলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না।
অন্যদিকে, করোনা ভাইরাসের কারণে রাজশাহীর  ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও ইন্ডাস্ট্রিজগুলো বন্ধ ।এতে করে বিদ্যুতের ঘাটতি থাকার কথা না। তার পরেও নেসকো নগরবাসীকে ঠিকঠাক বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারছে না। নেসকো নানা অজুহাত দেখায় বিদ্যুতের ভেলকিবাজি ঢাকতে। কখনো আবহাওয়া খারাপ, আবার কখনো ট্যান্সফর্মারগুলোর ফিউজ নষ্ট। এমন অজুহাত নেসকোর প্রতিদিনের।
এবিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শিরিন ইয়াসমিন গণমাধ্যমকে  বলেন, বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে ট্যান্সফর্মারগুলো ফিউজ কেটে যায়। এর ফলে সমস্যাগুলো হচ্ছে। তবে আবহাওয়া ভালো হলে এ সমস্যা থাকবে না।

ফেসবুকে লাইক দিন

তারিখ অনুযায়ী খবর

নভেম্বর ২০২০
শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
« অক্টোবর  
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০ 
দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।