• ঢাকা
  • বুধবার, ২রা আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৬ই জুন, ২০২১ ইং
Mujib Borsho
Mujib Borsho
ফরিদপুরে অকাল বৃষ্টি বন্যায় পিয়াজ চাষীদের ক্ষতি

আট হাজার কৃষক বিশেষ প্রণোদোনা পাচ্ছেন

ছবি প্রতিকী

ফরিদপুর সদর উপজেলার চরাঞ্চলের পিয়াজ চাষীদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ডিক্রিরচরে ৩০০ একর ও নর্থচ্যানেল ইউনিয়নের প্রায় ২০০ একর জমির পিয়াজ নষ্ট হয়ে গেছে। পিয়াজ চাষীদের মাথায় হাত, কী করবেন তারা ভাবছেন? বিশেষ করে স্থানীয় সমিতি ও এনজিও’র কাছ থেকে ঋণ নিয়ে পিয়াজ চাষে যাওয়া কৃষকরা এখন কুলকিনারা পাচ্ছেন না। নর্থচ্যানেল ইউনিয়নের কৃষক লাল খা বলেন, এমনিতেই গত ৭/৮ মাস মহামারি করোনার কারনে আমাদের জীবন সীমিত হয়েছে চলাফেরায়। এরপর কয়েক দফা অকাল বৃষ্টি আর বন্যা আমাদেরকে সর্বনাশ করে দিয়েছে।

নর্থচ্যানেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাকুজ্জামান মোস্তাক বলেন, প্রায় দুইশত একর জমির পিয়াজ নষ্ট হয়ে গেছে। বিষয়টি আমরা উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তাকে অবগত করেছি। আমার ইউনিয়নে উফাজউদ্দিন মাতুব্বর ডাঙ্গী, ইউসুফ মাতুব্বর ডাঙ্গী, আলেপ খার ডাঙ্গী, সুলতান খা, কাইমুদ্দিন ও বরান বিশ্বাসের ডাঙ্গী, সোনা মোল্যা, দুদু মাতুব্বর, খলিল মাতুব্বর, আসমত আলী, সোবাহান মোল্যা, লাল খা, আদম খার ডাঙ্গী, কুমার ডাঙ্গী, নবু মল্লিকের ডাঙ্গী, সমশের খাঁর ডাঙ্গী, উত্তর ডিক্রি, কামার ডাঙ্গী, গুলজার মন্ডলের ডাঙ্গী, রশিদ মুন্সীর ডাঙ্গীসহ বিভিন্ন গ্রামে যারা পিয়াজ চাষ করেছিল তাদের সর্বনাশ হয়ে গেছে। বার, বার কৃষকরা আমাকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবার তাগিদ দিয়েছেন।

অন্যদিকে ডিক্রিরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মেহেদী হাসান মিন্টু ফকির বলেন, আমার এলাকায় ক্ষতি হয়েছে সবচেয়ে বেশী। একদিকে নদী ভাঙ্গন অন্য দিকে অকাল বৃষ্টি-বন্যা। প্রায় ৩০০ একর জমির পেয়াজ নষ্ট হয়ে গেছে। বিভিন্ন গ্রামের ক্ষতিগ্রস্থ চাষীরা বার বার আমার কাছে আসছে। আমি বিষয়টি উপজেলা কর্মকর্তাকে অবগত করেছি। ইউনিয়নের পেয়াজ চাষী হেলাল বেপারী, রাজা মোল্যা, আলমাস মোল্যা, মিন্টু মেম্বার, আলী শেখ, আয়নাল মোল্যা রুবেল শেখসহ অসংখ্যা কৃষক তাদের ক্ষেতের পিয়াজ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তারা দিশেহারা। তার উপর স্থানীয় সমিতি, এনজিওদের চাপতো রয়েছেই।

এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ফরিদপুর এর সহকারী উপ-পরিচালক আশুতোষ বিশ্বাস জানান, ক্ষতিগ্রস্থ আট হাজার পিয়াজ চাষীকে বিশেষ প্রণোদোনায় সহযোগিতা দিচ্ছে সরকার। প্রত্যেক চাষী বিনামূল্যে পাবেন দুইশত পঞ্চাশ গ্রাম করে পিয়াজ বীজ। জিএপি ও এমপি দশ কেজি সার। তাছাড়া জেলার সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে ক্ষতিগ্রস্থ ত্রিশ হাজার কৃষকের তালিকা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের কী হবে? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বিষযটি সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা সিদ্ধান্ত নিবেন। সমিতি বা এনজিওদের ক্ষেত্রে আমরা কিছু বলতে পারবো না।

ফেসবুকে লাইক দিন

তারিখ অনুযায়ী খবর

জুন ২০২১
শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
« মে  
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০