• ঢাকা
  • শুক্রবার, ৯ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২২শে জানুয়ারি, ২০২১ ইং
আরও কোয়ারেন্টাইন সেন্টার স্থাপনে প্রস্তুত সেনাবাহিনী

আরও কোয়ারেন্টাইন সেন্টার স্থাপনে প্রস্তুত সেনাবাহিনী

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে দেশবাসীকে সামাজিক দূরত্ব রক্ষার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করছে সরকার। এক্ষেত্রে জাতীয় প্রয়োজনে আরও কোয়ারেন্টাইন সেন্টার পরিচালনা করার জন্য সরকার সিদ্ধান্ত নিলে সব ধরনের সহযোগিতা করার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আবদুল্লাহ ইবনে জায়েদ রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘এই মুহূর্তে করোনাভাইরাসের লোকাল ট্রান্সমিশন পর্যায় চলছে বলে বলা হচ্ছে। তাই এই সময়ে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা খুব জরুরি। পাশাপাশি আক্রান্ত কিংবা সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা যাদের মধ্যে রয়েছে- তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখাও জরুরি। সরকার যদি মনে করে দেশে আরও কোয়ারেন্টাইন সেন্টার স্থাপন করা দরকার, তাহলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘একটি কোয়ারেন্টাইন সেন্টার পরিচালনায় দক্ষ জনবলের পাশাপাশি চিকিৎসক, ইক্যুপমেন্ট, অবকাঠামোসহ বিভিন্ন ধরনের বিষয়ের প্রয়োজন রয়েছে। করোনার প্রকোপের এই সময়ে জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়ে জাতীয় স্বার্থে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনায় সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায় সশস্ত্র বাহিনী।’

আইএসপিআর সূত্রে জানা গেছে, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের ৬২টি জেলায় বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছে। জনসচেতনতামূলক প্রচারণা, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা এবং বাজার মনিটরিংসহ আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে মাঠে কাজ করছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) দেশের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে কক্সবাজারে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বিভিন্ন অনুমোদিত যানবাহন নিয়ন্ত্রণে কার্যক্রম পরিচালনা করেছে সেনাবাহিনী। রাজধানী ও অন্যান্য স্থানে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত ও জনসমাগম রোধে কাজ করেছে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে যানবাহনে জীবাণুনাশক স্প্রে করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

এছাড়া বিমান বন্দর সংলগ্ন হাজিক্যাম্পে স্থাপিত কোয়ারেন্টাইনের দায়িত্বও পালন করছে সেনাবাহিনী। প্লেন থেকে নেমে ইমিগ্রেশন শেষের পরই যাত্রীদের সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে।

জানা গেছে, বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের প্রয়োজনীয় স্ক্রিনিং করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নির্বাচিত ব্যক্তিদের বিমান বন্দরে প্রয়োজনীয় ইমিগ্রেশন কার্যক্রম শেষে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। হস্তান্তরের পর সেনাবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এসব যাত্রীদের বিমান বন্দর থেকে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে স্থানান্তর, ডিজিটাল ডাটা এন্ট্রি কার্যক্রম সম্পন্ন, কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে থাকাকালীন সময়ে আহার, বাসস্থান, চিকিৎসা এবং অন্যান্য আনুষাঙ্গিক সেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সেনাবাহিনীকে সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়, সংস্থা, অধিদপ্তর ও বাহিনী প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছে।

ফেসবুকে লাইক দিন

তারিখ অনুযায়ী খবর

জানুয়ারি ২০২১
শনিরবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্র
« ডিসেম্বর  
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১ 
দুঃখিত! কপি/পেস্ট করা থেকে বিরত থাকুন।